জাতীয় চিড়িয়াখানার অ্যানিমেল রেয়ারিং শাখার (মাংসাশী) কার্যালয়ের কাছেই একটি খাঁচায় মা বেলিসহ চারটি ব্যাঘ্রশাবককে (বাঘের বাচ্চা) রাখা হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে যায়, জাল দিয়ে খাঁচার আশপাশ এলাকা আটকে রাখা হয়েছে, যাতে দর্শনার্থীরা কাছাকাছি যেতে না পারেন। এ ছাড়া খাঁচাজুড়ে মশারি দেওয়া হয়েছে, যাতে মাছি বা পোকামাকড় যেতে না পারে।
চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এর আগে মাছির কামড়ে রোগ ছড়িয়ে পড়ে এখানে বাঘের বাচ্চা মারা গেছে। সে কারণে তারা এবার এমন ব্যবস্থা নিয়েছে।
মা বেলি ও বাঘের বাচ্চা চারটিকে সার্বক্ষণিক সিসিটিভির মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। অ্যানিমেল রেয়ারিং শাখার (মাংসাশী) সিসিটিভির ফুটেজে দেখা যায়, বাচ্চারা ঘোরাফেরা করছে। একপর্যায়ে দেখা যায়, মা বেলি ও বাচ্চারা ঘুমাচ্ছে।
দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান, বেলি গর্ভবতী হওয়ার পর থেকে টগরকে আলাদা রাখা হচ্ছে। বাচ্চা জন্মের পরও টগর আলাদা আছে। বাচ্চা চারটি এখনো মায়ের দুধ খাচ্ছে। তবে মা বেলিকে দেওয়া মাংস বাচ্চারা চেখে দেখে, কখনো খাওয়ার চেষ্টা করে। বাঘের বাচ্চারা সাধারণত চার মাস বয়সে মাংস খাওয়া শুরু করে। এই বাচ্চাদের বয়স আট মাস হলে তাদের দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।
জাতীয় চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ জানায়, চারটি বাচ্চাসহ এখানে মোট বাঘের সংখ্যা দাঁড়াল ১৬। জাতীয় চিড়িয়াখানায় মোট পাখি–প্রাণীর সংখ্যা এখন ৩ হাজার ৫০৬।
গত বছরের ৪ জানুয়ারি চিড়িয়াখানার সেড ‘সি’-১১-এ শাবকগুলোর জন্ম হয়। এই জন্ম দেশে বেঙ্গল টাইগার সংরক্ষণ কার্যক্রমে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

















